Part 1–2: আইন কাঠামো ও আয়ের উৎস
📖 পরবর্তী স্লাইডে কর অব্যাহতি, রেয়াত ও প্রশাসনিক কাঠামো।
Part 3–5: রেয়াত, করহার ও প্রশাসন
✅ এই সূচিপত্র আয়কর আইনের সমস্ত ধারাকে যৌক্তিক কাঠামোয় উপস্থাপন করে।
কর আইন ও আয়কর চর্চার উৎস
Sources of Tax Law & Practice of Income Tax
কর আইনের ব্যাখ্যা অস্পষ্ট হলে বিভিন্ন আদালতে মামলা হয়। এসব মামলার রায় দ্বারা গঠিত হয় “Case Law” অথবা বিচারিক নজির। উচ্চ আদালতের রায় আইনি দৃষ্টান্ত হিসেবে ভবিষ্যতের মামলায় অবশ্য পালনীয়, যতক্ষণ না তা নতুন আইনে পরিবর্তিত হয়।
📚 Part 2 — NBR Publications
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) হল আয়কর, ভ্যাট ও কাস্টমস বিষয়ে সর্বোচ্চ নির্বাহী কর্তৃপক্ষ। তারা বিভিন্ন প্রকাশনা, নির্দেশনা ও গাইডলাইন মাধ্যমে করদাতা ও দপ্তরসমূহকে সহায়তা করে।
✨ সারসংক্ষেপ: আইন, বিচারিক নজির ও NBR এর নির্দেশনাই বাংলাদেশের আয়কর চর্চার তিনটি প্রধান উৎস।
Bangladesh Tax Structure
বাংলাদেশের কর ব্যবস্থা দুইটি প্রধান ভাগে বিভক্ত — সরাসরি কর ও পরোক্ষ কর।
💼 কর রাজস্ব বাংলাদেশের মোট সরকারি আয়ের প্রায় ৮৫% অংশ জুড়ে রয়েছে — যা জাতীয় বাজেটের প্রধান ভিত্তি।
📊 Tax Categories by Revenue Agency
জাতীয় বাজেটে কর রাজস্ব দুইভাবে বিভক্ত — এনবিআর কর এবং নন-এনবিআর কর।
🧾 মোট কর রাজস্বের প্রায় ৯৬% আসে এনবিআর কর থেকে।
⚙️ Significant Features of the Tax System
বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রকার কর প্রচলিত, প্রধানত তিনটি শ্রেণিতে:
মূল শব্দ ও অর্থ
Part 1 — মূল শব্দ ও অর্থ
“অনিবাসী” অর্থ নিবাসী নহেন এইরূপ কোনো ব্যক্তি।
“আত্মীয়” অর্থ কোনো ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে, ভাই, বোন বা বংশানুক্রমিক পূর্বসূরি বা উত্তরসূরি।
“আয়কর” অর্থ এই আইনের অধীন আরোপযোগ্য বা পরিশোধযোগ্য যেকোনো প্রকারের কর বা সারচার্জ।
“আয়বর্ষ” অর্থ করবর্ষের অব্যবহিত পূর্ববর্তী অর্থবৎসর, যাহাতে ব্যবসা বা আয়ের উদ্ভব ঘটে।
Part 2 — কর, করবর্ষ ও করদাতা
আয়ের উপর প্রদেয় কর, অতিরিক্ত কর, দণ্ড, সুপার কর, সুদ, ফি ইত্যাদি অর্থকে অন্তর্ভুক্ত করে।
যে কোনো ব্যক্তি যিনি আয়ের উপর কর প্রদান করতে বাধ্য বা আইনের অধীনে করদাতা হিসাবে গণ্য, যেমন:
জুলাই মাসের ১ তারিখ হইতে পরবর্তী ১২ মাস পর্যন্ত সময়কে করবর্ষ বলা হয়।
কোনো ব্যক্তিকে রেয়াত, অবকাশ বা হ্রাসকৃত হারে কর প্রদানের মাধ্যমে কর দায় হইতে আংশিক বা পূর্ণ মুক্তি প্রদান।
ধারা অনুযায়ী আয়বর্ষে বাংলাদেশে অবস্থানের শর্ত
এইরূপ কোনো স্বাভাবিক ব্যক্তি বাংলাদেশে অবস্থান করিয়াছেন —
যাহাদের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা কার্যাবলি সম্পূর্ণরূপে উক্ত আয়বর্ষে বাংলাদেশে সংঘটিত হয়।
যে কোনো বাংলাদেশি বা বিদেশি কোম্পানি, যাহার নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা কার্যাদি সম্পূর্ণরূপে উক্ত বর্ষে বাংলাদেশের অভ্যন্তর হইতে সংঘটিত হয়।
যাহারা বাংলাদেশে বলবৎ কোনো আইনের অধীনে সৃষ্ট এবং যাহাদের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা কার্যাদি সম্পূর্ণরূপে দেশের অভ্যন্তরে সংঘটিত।
স্বাভাবিক ব্যক্তি, হিন্দু অবিভক্ত পরিবার ও ফার্মের জন্য
Overview of Key Tax Parameters
অর্থ আইন, ২০২৪ এর তফসিল-৩ অনুযায়ী নির্ধারিত করহার ও শর্তাবলি।
এই হারসমূহ ২০২৫–২০২৬ করবর্ষের জন্য প্রযোজ্য।
স্বাভাবিক ব্যক্তি, হিন্দু অবিভক্ত পরিবার এবং ফার্ম।
০% থেকে ৩০% পর্যন্ত প্রগতিশীল করহার প্রযোজ্য
প্রথম ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা
সম্পূর্ণ করমুক্ত
অর্থাৎ: বছরে ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয়ের জন্য কোনো আয়কর দিতে হবে না
আয়কর আইন অনুযায়ী ভিন্ন শ্রেণির করদাতার জন্য নির্ধারিত সীমা
স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার জন্য প্রযোজ্য স্ল্যাব ভিত্তিক করহার
| 💰 আয়ের স্তর | 📈 করের হার |
|---|---|
| প্রথম ৩,৫০,০০০ টাকা | ০% |
| পরবর্তী ১,০০,০০০ টাকা | ৫% |
| পরবর্তী ৪,০০,০০০ টাকা | ১০% |
| পরবর্তী ৫,০০,০০০ টাকা | ১৫% |
| পরবর্তী ৫,০০,০০০ টাকা | ২০% |
| পরবর্তী ২০,০০,০০০ টাকা | ২৫% |
| অবশিষ্ট আয় | ৩০% |
অবস্থানভেদে প্রযোজ্য ন্যূনতম আয়কর হার
করমুক্ত সীমার ঊর্ধ্বে আয় থাকলে করদাতার অবস্থানভেদে ন্যূনতম আয়কর প্রদান করতে হবে
| এলাকা | ন্যূনতম কর (টাকা) |
|---|---|
| ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন | ৫,০০০ |
| অন্যান্য সিটি কর্পোরেশন এলাকা | ৪,০০০ |
| সিটি কর্পোরেশন ব্যতীত অন্যান্য এলাকা | ৩,০০০ |
প্রদেয় আয়কর বা বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত বিবেচনার পর প্রদেয় আয়কর ন্যূনতম আয়করের চেয়ে কম, শূন্য বা ঋণাত্মক হলেও প্রযোজ্য ন্যূনতম আয়কর পরিশোধ করতে হবে।
আয়ের স্তর অনুযায়ী প্রগতিশীল করহার প্রদর্শন
প্রগতিশীল করহার — আয় বৃদ্ধির সাথে সাথে করের হার বৃদ্ধি পায়
সারচার্জ: শূন্য
নিজ নামে একাধিক মোটরগাড়ি বা মোট ৮,০০০ বর্গফুটের অধিক গৃহ-সম্পত্তি থাকিলে প্রযোজ্য।
সারচার্জ: ১০%
সারচার্জ: ২০%
সারচার্জ: ৩০%
সারচার্জ: ৩৫%
করহার প্রযোজ্যতা, ব্যতিক্রম ও কার্যকারিতা সম্পর্কিত তথ্য
উল্লেখিত করহার তামাকজাত পণ্য প্রস্তুতকারক করদাতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
অন্তর্ভুক্ত: সিগারেট, বিড়ি, জর্দা, গুল এবং সকল প্রকার তামাকজাত পণ্য।
২০২৫-২০২৬ করবর্ষ
অর্থ আইন, ২০২৪
আপনার কর সচেতনতা দেশের উন্নয়নের ভিত্তি।
আয় পরিগণনা
সকল খাতের আয় যোগ করিয়া করদাতার মোট আয় পরিগণনা করিতে হইবে।
আইনে ভিন্নরূপ কিছু না থাকিলে, যেকোনো আয় নিম্নলিখিত খাতসমূহে শ্রেণিবদ্ধ হইবে:
“বেতন” অর্থ:
কর্মচারী কর্তৃক চাকরি হইতে প্রাপ্ত যেকোনো প্রকৃতির অঙ্ক এবং নিম্নবর্ণিত বিষয় অন্তর্ভুক্ত:
| ক্রমিক | পারকুইজিট, ভাতা, সুবিধা | নির্ধারিত মূল্য |
|---|---|---|
| ১। | আবাসন সুবিধা |
(ক) আবাসনের ভাড়া সম্পূর্ণভাবে নিয়োগকর্তা কর্তৃক পরিশোধিত হইলে অথবা নিয়োগকর্তা কর্তৃক আবাসনের ব্যবস্থা করা হইলে আবাসনের বার্ষিক মূল্য
(খ) হ্রাসকৃত ভাড়ায় প্রাপ্ত আবাসনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ভাড়া এবং পরিশোধিত ভাড়ার পার্থক্য
|
| ২। | মোটরগাড়ি সুবিধা |
(ক) ১৫০০ সিসি পর্যন্ত: মাসিক ১৫,০০০ টাকা
(খ) ১৫০০–২০০০ সিসি: মাসিক ২০,০০০ টাকা
(গ) ২০০০–২৫০০ সিসি: মাসিক ৩০,০০০ টাকা
(ঘ) ২৫০০ সিসির অধিক: মাসিক ৫০,০০০ টাকা
|
| ৩। | অন্য কোনো পারকুইজিট, ভাতা বা সুবিধা | পারকুইজিট, ভাতা বা সুবিধার আর্থিক মূল্য অথবা ন্যায্য বাজার মূল্য অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। |
এই সারণী অনুযায়ী নির্ধারিত মূল্য করযোগ্য আয়ের অংশ হিসেবে গণ্য হবে এবং সেই অনুযায়ী আয়কর প্রদান করতে হবে।
গৃহসম্পত্তির মোট ভাড়ামূল্য,অন্যান্য সম্পত্তির মোট ভাড়ামূল্য
(১) “গৃহসম্পত্তি” অর্থ:
যেকোনো গৃহসম্পত্তি, ভবন বা দালানসহ নিম্নবর্ণিত পরিসম্পদও অন্তর্ভুক্ত:
অন্তর্ভুক্ত নয়:
(২) “ভাড়া প্রদান” অর্থ:
মালিকানা বা স্বত্ব ত্যাগ ব্যতিরেকে কোনো নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সম্পত্তির ব্যবহারের অধিকার প্রদান।
ব্যতিক্রম:
তফসিলি ব্যাংক, বিনিয়োগ ব্যাংক, উন্নয়নমূলক ফাইন্যান্স কোম্পানি বা মুদারাবা/লিজিং কোম্পানি কর্তৃক ভাড়া প্রদান অন্তর্ভুক্ত নয়।
(৩) “সম্পত্তি” অর্থ:
গৃহসম্পত্তি, জমি, আসবাবপত্র, ফিক্সার, কারখানা ভবন, ব্যবসার আঙ্গিনা, যন্ত্রপাতি, ব্যক্তিগত যানবাহন ও মূলধনি প্রকৃতির অন্য কোনো ভৌত পরিসম্পদ, যাহা ভাড়া প্রদান করা যায়।
(১) গণনা পদ্ধতি:
মোট ভাড়ামূল্য − অনুমোদনযোগ্য খরচ = ভাড়া হইতে আয়
(২) ব্যবসায়িক ব্যবহার:
সম্পত্তির কোনো অংশ স্বীয় ব্যবসায়ের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হইলে, উক্ত অংশের জন্য এই ধারা প্রযোজ্য হইবে না।
(৩) সাধারণ নিয়ম:
হোস্টেল, হোটেল, মোটেল বা রিসোর্ট ব্যতীত অন্য সকল সম্পত্তির আয় “ভাড়া হইতে আয়” খাতে পরিগণিত হইবে।
ক = মোট ভাড়ামূল্য
খ = গৃহসম্পত্তির বার্ষিক মূল্য
গ = সেলামী / প্রিমিয়াম ও অন্যান্য প্রাপ্তি
(ফেরতযোগ্য জামানত ও অগ্রিম ব্যতীত)
ঘ = ভাড়াটিয়া কর্তৃক পরিশোধিত চার্জ
সার্ভিস চার্জ, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়
ঙ = শূন্যতা ভাতা
(বিদ্যুৎ বিল ইত্যাদির প্রমাণ সাপেক্ষে)
গৃহসম্পত্তির মোট ভাড়ামূল্য নির্ধারণের সময় উক্ত উপাদানগুলির যোগফল হইতে প্রযোজ্য শূন্যতা ভাতা বাদ দিতে হইবে। ফলাফলে প্রাপ্ত অর্থ কর নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
যদি গৃহসম্পত্তির বার্ষিক মূল্য ১২,০০,০০০ টাকা হয় এবং প্রাপ্ত সেলামী ৩,০০,০০০ টাকা, ভাড়াটিয়া চার্জ ৫০,০০০ টাকা এবং শূন্যতা ভাতা ১,০০,০০০ টাকা হয়, তবে মোট ভাড়ামূল্য হবে ১৪,৫০,০০০ – ১,০০,০০০ = ১৩,৫০,০০০ টাকা।
ক = মোট ভাড়ামূল্য
খ = গৃহসম্পত্তি ব্যতীত অন্যান্য সম্পত্তির বার্ষিক মূল্য
গ = অন্যভাবে সম্পত্তি ব্যবহার হইতে অর্জিত আয়
সেলামী / প্রিমিয়াম ও অন্যান্য প্রাপ্তি (ফেরতযোগ্য জামানত ও অগ্রিম ব্যতীত)
গৃহসম্পত্তি ও অন্যান্য সম্পত্তির জন্য ভিন্ন সূত্র প্রযোজ্য। গৃহসম্পত্তির ক্ষেত্রে শূন্যতা ভাতা কাটা যায়, কিন্তু অন্যান্য সম্পত্তির ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য নয়।
(ক) বিমা প্রিমিয়াম:
গৃহসম্পত্তির ক্ষতি বা ধ্বংসের ঝুঁকির বিপরীতে পরিশোধিত বিমা প্রিমিয়াম।
(খ) ঋণের সুদ/মুনাফা:
গৃহসম্পত্তি অর্জন, নির্মাণ, সংস্কার বা পুনঃনির্মাণের জন্য ব্যাংক বা ফাইন্যান্স কোম্পানি হইতে গৃহীত মূলধনি ঋণের উপর পরিশোধিত সুদ বা মুনাফা।
(গ) কর ও চার্জ:
গৃহসম্পত্তির উপর পরিশোধিত কোনো কর, ফি বা অন্য কোনো বার্ষিক চার্জ (মূলধনি চার্জ প্রকৃতির নহে)।
(ঘ) ভাড়াপূর্ব সুদ/মুনাফা:
ভাড়াপূর্ব সময়ে পরিশোধিত সুদ বা মুনাফা ভাড়া শুরুর সহিত সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষ হইতে একাদিক্রমে মোট ৩ (তিন) আয়বর্ষে সমকিস্তিতে বিয়োজনযোগ্য।
শর্ত: ৩ বছরের পর আর বিয়োজনযোগ্য হইবে না।
| ক্রমিক | সম্পত্তির ধরন | সংবিধিবদ্ধ বিয়োজন |
|---|---|---|
| ১। | বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত গৃহসম্পত্তি | ৩০% |
| ২। | অবাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত গৃহসম্পত্তি | ২৫% |
অন্তর্ভুক্ত খরচ: ভাড়া সংগ্রহ, পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন, বিদ্যুৎ, গ্যাস, সার্ভিস চার্জ, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ চার্জ এবং অন্যান্য মৌলিক সেবা সংক্রান্ত ব্যয়।
সম্পত্তির ব্যবহারভেদে বিয়োজনের হার পরিবর্তিত হয়। বাণিজ্যিক সম্পত্তির জন্য তুলনামূলকভাবে উচ্চতর বিয়োজন নির্ধারিত।
(চ) আংশিক ভাড়া:
গৃহসম্পত্তির আংশিক ভাড়া প্রদানের ক্ষেত্রে আংশিক ভাড়ার বিপরীতে আনুপাতিক হারে খরচ অনুমোদনযোগ্য হইবে।
(ছ) সময়ভিত্তিক ভাড়া:
আয়বর্ষের অংশবিশেষের জন্য ভাড়া প্রদান করা হইলে ভাড়া প্রদানকৃত সময়ের আনুপাতিক হারে খরচ অনুমোদনযোগ্য হইবে।
(ক) ব্যবসায়িক বিয়োজন:
ব্যবসা হইতে আয় পরিগণনার ক্ষেত্রে ধারা ৪৯–৫৫ অনুযায়ী যে সকল বিয়োজন যে সকল সীমা ও শর্তে অনুমোদিত।
(খ) ব্যাংক ট্রান্সফার শর্ত:
তৃতীয় তফসিল অনুযায়ী অনুমোদিত ভাতাসমূহ ব্যতীত অন্যান্য সকল বিয়োজন ব্যাংক ট্রান্সফার এর মাধ্যমে সম্পন্ন হইতে হইবে।
গৃহসম্পত্তি: নির্দিষ্ট হারে সংবিধিবদ্ধ বিয়োজন + অন্যান্য নির্দিষ্ট খরচ।
অন্যান্য সম্পত্তি: ব্যবসায়িক নিয়মে বিয়োজন + ব্যাংক ট্রান্সফার বাধ্যতামূলক।
আনুপাতিক: আংশিক বা সময়ভিত্তিক ভাড়ার ক্ষেত্রে সমানুপাতিক বিয়োজন প্রযোজ্য।
ভাড়া প্রদানের সময় ফেরতযোগ্য নহে এমন সেলামী, প্রিমিয়াম বা অনুরূপ অর্থ বিশেষ ভাড়া হইতে আয় হিসাবে গণ্য হইবে।
শর্ত:
চুক্তি অনুযায়ী ফেরতযোগ্য অংশ বাদে অবশিষ্ট অংশই করযোগ্য।
ভাড়াটিয়া মালিকের পক্ষে মেরামত বা উন্নয়ন ব্যয় বহন করলে, উহা মালিকের আয় বলিয়া গণ্য হইবে এবং করযোগ্য হইবে।
উদাহরণ:
ভাড়াটিয়া নিজ ব্যয়ে ভবন রং বা বৈদ্যুতিক যন্ত্র মেরামত করিলে, তাহার ব্যয়মূল্য করযোগ্য।
লিখিত চুক্তিতে উল্লিখিত অর্থের অতিরিক্ত কোনো অর্থ গ্রহণ করলে, তাহা বিশেষ ভাড়া হইতে আয় হিসাবে গণ্য হইবে এবং প্রকাশযোগ্য হবে।
বিশেষ ভাড়া হইতে আয় অর্থ এমন প্রাপ্তি, যাহা নিয়মিত ভাড়ার বাইরে অতিরিক্ত, অব্যয়িত বা অপ্রকাশিত। এ সকল প্রাপ্তি করযোগ্য এবং সম্পত্তির মালিকের আয়ের অংশ।
ভাড়া প্রদানের বিপরীতে গৃহীত অসমন্বয়যোগ্য অঙ্ক, উহা যেই নামেই অভিহিত হোক না কেন, বিশেষ ভাড়া হইতে আয় হিসাবে গণ্য হইবে।
বিশেষ সুবিধা:
এই আইনের অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, গৃহসম্পত্তি ভিন্ন অন্য কোনো সম্পত্তির ভাড়া হইতে আয় এর ক্ষেত্রে ধারা ৫৫ এর দফা (ক) এর অধীন অননুমোদিত সকল ব্যয় বিশেষ ভাড়া হইতে আয় হিসাবে গণ্য হইবে।
এই আইনের অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, বিশেষ ভাড়া হইতে আয় হিসাবে পরিগণিত আয়ের বিপরীতে:
নিষিদ্ধ:
💼 করহার: নিয়মিত করহারে করদায় নির্ধারিত হইবে।
কৃষি আয়, বিশেষ কৃষি আ
🌾 (১) সাধারণ নিয়ম:
কোনো ব্যক্তির কৃষি সম্পর্কিত কার্যাবলি হইতে অর্জিত আয় “কৃষি হইতে আয়” হিসাবে শ্রেণিবদ্ধ হইবে।
🍃 (২) চা ও রাবারের বিশেষ বিধান:
কোনো ব্যক্তি কর্তৃক উৎপাদিত ও প্রক্রিয়াকৃত চা এবং রাবার এর বিক্রয়লব্ধ অর্থ নিম্নরূপে শ্রেণিবদ্ধ হইবে:
ব্যবসা হইতে আয়
কৃষি হইতে আয়
🌱 দ্রষ্টব্য: কৃষিজ আয় সাধারণত ভূমি, ফসল, পশুপালন, বা কৃষিপণ্যের উৎপাদন ও বিক্রয় কার্যাবলির মাধ্যমে অর্জিত হয়।
যেকোনো প্রকার উদ্যান পালন
গবাদি পশু ও পাখি পালন
জমির স্বাভাবিক কৃষি ব্যবহার
পোল্ট্রি ও হাঁস-মুরগি পালন
মৎস্য চাষ ও খামার
সাপ, কুমির ইত্যাদির খামার
গাছপালার চারা উৎপাদন
যেকোনো প্রকারের চাষাবাদ
দুগ্ধ ও ডিম উৎপাদন
বনজ সম্পদ উৎপাদন
ফলমূল, ফুল ও মৌচাক
কৃষি বীজ উৎপাদন
কোনো পরিসম্পদ করদাতার ধারা ৪০ এর কৃষিকাজে ব্যবহৃত হইবার পর কোনো আয়বর্ষে বিক্রয় করা হইলে নিম্নরূপ প্রযোজ্য হইবে —
| ক্রমিক | বিক্রয়লব্ধ অর্থ | আয় হিসাবে গণ্য অর্থের পরিমাণ |
|---|---|---|
| ১। | বিক্রয়লব্ধ অর্থ যদি পরিসম্পদের অর্জন মূল্য হইতে অধিক হয় |
মূলধনি আয়
ক – খ এর সমপরিমাণ অর্থ উক্ত আয়বর্ষে করদাতার “মূলধনি আয়” হিসাবে গণ্য হইবে। খ – গ এর সমপরিমাণ অর্থ উক্ত আয়বর্ষে করদাতার “কৃষি হইতে আয়” হিসাবে গণ্য হইবে। |
| ২। | বিক্রয়লব্ধ অর্থ যদি পরিসম্পদের অর্জন মূল্য হইতে অধিক না হয়, তবে অবলোপিত মূল্য হইতে অধিক হয় |
কৃষি হইতে আয়
ক – গ এর সমপরিমাণ অর্থ উক্ত আয়বর্ষে করদাতার “কৃষি হইতে আয়” হিসাবে গণ্য হইবে। |
ক =
বিক্রয়লব্ধ অর্থ বা বিমা/স্যালভেজ বাবদ প্রাপ্ত অর্থ
খ =
পরিসম্পদের অর্জন মূল্য
গ =
অবচয় অনুমোদনের পর অবলোপিত মূল্য
যদি বিক্রয়লব্ধ অর্থ ও অবলোপিত মূল্যের পার্থক্য ঋণাত্মক হয়, তবে ফলাফল “কৃষি হইতে আয়” খাতে ব্যয়িত বলিয়া গণ্য হইবে এবং অনুমোদিত সাধারণ বিয়োজনের অন্তর্ভুক্ত হইবে।
কৃষিকাজে ব্যবহৃত কোনো পরিসম্পদ পরিত্যক্ত, নিশ্চিহ্ন বা ধ্বংস হইবার কারণে প্রাপ্ত বিমা, স্যালভেজ বা ক্ষতিপূরণ যদি অবলোপিত মূল্যের অধিক হয়:
| ক্রমিক | বিমা / ক্ষতিপূরণের অবস্থা | আয় হিসাবে গণ্য অর্থের পরিমাণ |
|---|---|---|
| ১। | বিমা, স্যালভেজ বা ক্ষতিপূরণ বাবদ অর্থ যদি পরিসম্পদের অর্জন মূল্য হইতে অধিক হয় |
মূলধনি আয়
ক – খ এর সমপরিমাণ অর্থ করদাতার “মূলধনি আয়” হিসাবে গণ্য হইবে। খ – গ এর সমপরিমাণ অর্থ করদাতার “কৃষি হইতে আয়” হিসাবে গণ্য হইবে। |
| ২। | বিমা, স্যালভেজ বা ক্ষতিপূরণ বাবদ অর্থ যদি পরিসম্পদের অর্জন মূল্য হইতে অধিক না হয়, তবে অবলোপিত মূল্য হইতে অধিক হয় |
কৃষি হইতে আয়
ক – গ এর সমপরিমাণ অর্থ করদাতার “কৃষি হইতে আয়” হিসাবে গণ্য হইবে। |
এই আইনের অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধারা ৫৫ এর দফা (ক) এর অধীন অননুমোদিত সকল ব্যয় “বিশেষ কৃষি আয়” হিসাবে গণ্য হইবে।
মূলধনি ব্যয় বা ব্যক্তিগত ব্যয় ব্যতীত, সম্পূর্ণরূপে এবং কেবল কৃষির উদ্দেশ্যে ব্যয়িত অর্থ বিয়োজন হিসাবে অনুমোদনযোগ্য।
কৃষির উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ভূমি বা আঙ্গিনার উপর পরিশোধিত যেকোনো প্রকার কর, ভূমি উন্নয়ন কর বা খাজনা।
কৃষির উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ভূমি বা আঙ্গিনার জন্য পরিশোধযোগ্য ভাড়া, উন্নয়ন ও সংরক্ষণ ব্যয় এবং চাষাবাদ ব্যয়।
কৃষির উদ্দেশ্যে গৃহীত ঋণের পরিশোধযোগ্য সুদ বা মুনাফা।
কৃষিকাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, সরঞ্জামাদি রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত, এবং গবাদিপশুর লালন-পালন, প্রক্রিয়াকরণ বা পরিবহণ ব্যয়।
ভূমি, ফসল বা গবাদিপশু পালনের ক্ষতিপূরণে পরিশোধযোগ্য বিমা প্রিমিয়াম।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অন্যান্য ক্ষতি হইতে কৃষি রক্ষার্থে ব্যয়িত অর্থ।
করদাতার কৃষিকাজে ব্যবহৃত পশুর মৃত্যু বা স্থায়ী অক্ষমতার ক্ষেত্রে ক্রয়মূল্য ও বিক্রয়লব্ধ অর্থের পার্থক্য।
সরকার স্পন্সরকৃত কৃষি সম্পর্কিত ডেলিগেশনের বিদেশ সফর ব্যয় (মূলধনি নয়)।
বোর্ড অনুমোদিত স্কিম অনুযায়ী কৃষি সম্পর্কিত প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যয়।
করদাতার কৃষির উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশে পরিচালিত কৃষি সম্পর্কিত বৈজ্ঞানিক গবেষণায় নির্বাহকৃত ব্যয়।
করদাতা নিয়মিত হিসাবরক্ষণ পদ্ধতি প্রয়োগ করিতেছেন না।
এইরূপ পদ্ধতি প্রয়োগ যাহার ভিত্তিতে আয় নির্ধারণ সম্ভব নয়।
হিসাব বা লেনদেনের রেকর্ড সংরক্ষণ করিতে ব্যর্থ।
সংরক্ষিত হিসাব বা রেকর্ড যাচাইযোগ্য নয়।
উৎপাদিত কৃষি পণ্যের বাজার মূল্যের
অনুমোদিত ব্যয় হিসাবে গণ্য হইবে
যেইক্ষেত্রে ভূমি বা আঙ্গিনার মালিক আধি, বর্গা, ভাগা বা অংশহারে কৃষি হইতে আয় প্রাপ্ত হন, সেইক্ষেত্রে এই ধারা প্রযোজ্য হইবে না।
উৎসে কর কর্তন বা সংগ্রহ প্রযোজ্য হইলে, অংশ ৭ এর বিধানাবলি যথাযথভাবে অনুসরণ না করিলে এই অধ্যায়ের অধীন দাবিকৃত বিয়োজন অনুমোদিত হইবে না।
ধারা ৫৫ এ বর্ণিত অননুমোদিত ব্যয়ের বিধানাবলি এই অধ্যায়ের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হইবে, যেন বিধানাবলি এই অধ্যায়ের সহিত সম্পর্কিত।
সঠিক কর পরিশোধ ও রেকর্ড রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করুন
সম্পূর্ণ বিধান ও নিয়মকানুন সংক্ষেপে উপস্থাপিত
করদাতার নিম্নলিখিত আয়সমূহ “ব্যবসা হইতে আয়” হিসাবে গণ্য হইবে:
(ক) ব্যবসায়িক লাভ ও মুনাফা
করদাতার পরিচালিত বা পরিচালিত বলিয়া গণ্য কোনো ব্যবসা হইতে অর্জিত লাভ ও মুনাফা।
(খ) পেশাজীবী সংগঠনের আয়
কোনো পেশাজীবী সংগঠন কর্তৃক সদস্যদের সেবা প্রদানের মাধ্যমে অর্জিত আয়।
(গ) ব্যবসায়িক সম্পর্কের সুবিধা
ব্যবসায়িক সম্পর্কের কারণে প্রাপ্ত কোনো অ-নগদ সুবিধার বাজারমূল্য (perquisite বা incentive)।
(ঘ) ব্যবস্থাপনা ফি
ব্যবস্থাপনা কোম্পানি বা এজেন্সি কর্তৃক সেবা প্রদানের বিনিময়ে প্রাপ্ত ফি বা পারিশ্রমিক।
ব্যবসা হইতে আয় অন্তর্ভুক্ত করে সকল লাভজনক কার্যক্রম যেমন উৎপাদন, বাণিজ্য, সেবা, পরামর্শ, এবং ব্যবসা সম্পর্কিত অন্যান্য নিয়মিত কার্যাবলি।
(দ্বিতীয় অংশ)
করদাতার ব্যবসায় ব্যবহৃত কোনো পরিসম্পদ বিক্রয় করা হইলে, নিম্নলিখিত নিয়মে আয় নির্ধারণ করা হইবে:
| ক্রমিক | অবস্থা | আয়ের ধরন |
|---|---|---|
| ১। | বিক্রয়লব্ধ অর্থ যদি অর্জনমূল্যের বেশি হয় | মূলধনি আয় |
| ২। | বিক্রয়লব্ধ অর্থ যদি অর্জনমূল্যের কম কিন্তু অবলোপিত মূল্যের বেশি হয় | ব্যবসা হইতে আয় |
কোনো ব্যবসায়িক পরিসম্পদ ধ্বংস, ক্ষতি বা নিশ্চিহ্ন হইলে, প্রাপ্ত বিমা, স্যালভেজ বা ক্ষতিপূরণের অর্থ যদি অবলোপিত মূল্যের বেশি হয়, তবে সেই অতিরিক্ত অংশ উক্ত আয়বর্ষে করযোগ্য “ব্যবসা হইতে আয়” হিসাবে গণ্য হইবে।
🏛️ এই ধারা ব্যবসায়িক সম্পদের বিক্রয় ও বিমা আয় এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
(তৃতীয় অংশ)
ক = বিক্রয়লব্ধ অর্থ
খ = অর্জন মূল্য
গ = অবলোপিত মূল্য
ক্ষতির ক্ষেত্রে:
বিক্রয়লব্ধ অর্থ ও অবলোপিত মূল্যের পার্থক্য ঋণাত্মক হইলে, ফলাফল ‘ব্যবসা হইতে আয়’ খাতে ব্যয় হিসাবে গণ্য হইবে।
(বিশেষ ব্যবসা সম্পর্কিত বিধান)
নিম্নবর্ণিত সারণির কলাম (২)-এ উল্লিখিত ব্যবসার মুনাফা সারণির কলাম (৩)-এ বর্ণিত তফসিলের বিধান অনুসারে পরিগণনা করা হইবে —
| ক্রমিক | ব্যবসা | তফসিল |
|---|---|---|
| ১। | বিমা ব্যবসা | চতুর্থ তফসিল |
| ২। | প্রাকৃতিক গ্যাস, খনিজ তৈল বা অন্যান্য খনিজ উত্তোলন ও অনুসন্ধান | পঞ্চম তফসিল |
কোনো ব্যক্তি কর্তৃক কোনো ফটকা কারবার পরিচালিত হইলে, তাহা উক্ত ব্যক্তির অন্যান্য ব্যবসা হইতে পৃথক ও স্বতন্ত্র ব্যবসা হিসাবে বিবেচিত হইবে।
💼 এই ধারা বিশেষ ব্যবসার মুনাফা নির্ধারণে প্রযোজ্য।
(১ম অংশ)
এই আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে কোনো আয়বর্ষে কোনো ব্যক্তির ব্যবসা হইতে আয় পরিগণনার ক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত ব্যয়সমূহ সাধারণ বিয়োজনের অন্তর্ভুক্ত হইবে —
সকল ব্যয় ব্যবসায়ের প্রকৃত কার্যক্রমের সাথে সম্পর্কিত ও প্রমাণপত্রসহ হইতে হইবে।
(২য় অংশ)
উপরোক্ত সকল বিয়োজন অবশ্যই সম্পূর্ণ ও একান্তভাবে ব্যবসায়ের উদ্দেশ্যে নির্বাহকৃত হইতে হবে।
প্রতিটি ব্যয়ের যথাযথ প্রমাণপত্র, ভাউচার ও হিসাবরক্ষণ সংরক্ষণ করা করদাতার জন্য বাধ্যতামূলক।
তৃতীয় তফসিলে বর্ণিত কোনো পরিসম্পদ যদি কোনো আয়বর্ষে বিক্রয় করা হয় এবং সেই বিক্রয়লব্ধ অর্থ অবলোপিত মূল্য অপেক্ষা কম হয়, তাহা হইলে অবলোপিত মূল্য ও বিক্রয়লব্ধ অর্থের পার্থক্যের সমপরিমাণ অঙ্ক বিয়োজনযোগ্য হইবে।
ধারা ৫১ অনুযায়ী অনুমোদিত কুঋণ ব্যয় ব্যবসা হইতে আয় গণনার ক্ষেত্রে বিয়োজিত হইবে।
ধারা ৫২ ও ৫৩ অনুযায়ী অনুমোদিত সুদ ব্যয় ব্যবসা হইতে আয় গণনার ক্ষেত্রে বিয়োজনযোগ্য হইবে।
(একত্রিত ধারাসমূহ)
ব্যবসায়ের উদ্দেশ্যে ধারকৃত মূলধনের উপর প্রদেয় সুদ বা মুনাফা বিয়োজনযোগ্য ব্যয় হিসাবে অনুমোদিত হইবে।
ধারকৃত অর্থ আংশিকভাবে ব্যবসার বাইরে ব্যবহৃত হইলে, কেবলমাত্র ব্যবসায়িক অংশের আনুপাতিক সুদ বা মুনাফা অনুমোদিত হইবে।
(একত্রিত সারণি)
যদি কোনো ব্যয় সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কোনো পরিসম্পদকে প্রতিনিধিত্ব করে, তাহলে একই আয়বর্ষে ওই পরিসম্পদ বাবদ আর কোনো বিয়োজন অনুমোদনযোগ্য হবে না।
ধারা ৪৯ অনুযায়ী কোনো ব্যয় অনুমোদনের জন্য ব্যবসার উদ্দেশ্যে তা যুক্তিসঙ্গত হতে হবে। বিচারের সময় নিম্নোক্ত বিষয় বিবেচনা করা হবে:
(১ম অংশ)
(২য় অংশ)
ব্যতিক্রম: হ্রাসকৃত করহার প্রযোজ্য করদাতার ক্ষেত্রে, ধারা ৫৫(ক) ব্যতীত এই আয়ের উপর হ্রাসকৃত করহার প্রযোজ্য হইবে।
মূলধনি পরিসম্পদের মালিকানা হস্তান্তর হইতে উদ্ভূত মুনাফা ও লাভ মূলধনি আয় হিসাবে গণ্য হইবে।
International Accounting Standards (IAS) বা IFRS অনুযায়ী ন্যায্য বাজারমূল্য পদ্ধতিতে কোনো পরিসম্পদ প্রকৃত অর্থে হস্তান্তরিত না হইলে, উহা হইতে উদ্ভূত ধারণাগত মুনাফা মূলধনি আয় হিসাবে গণ্য হইবে না।
কোনো ব্যক্তির মূলধনি আয় হইবে পরিসম্পদের উন্মুক্ত বাজারে বিক্রয় বা হস্তান্তর মূল্য এবং উক্ত পরিসম্পদের অর্জনমূল্যের পার্থক্য।
কোনো পরিসম্পদের উন্মুক্ত বাজারে বিক্রয় বা হস্তান্তর মূল্য হইবে ‘ক’ ও ‘খ’ এর মধ্যে যাহা অধিক —
| ক্রম | বিবরণ |
|---|---|
| ক | হস্তান্তর হইতে প্রাপ্ত বা উপচিত অর্থ |
| খ | হস্তান্তরের তারিখে পরিসম্পদের ন্যায্য বাজারমূল্য |
মূলধনি পরিসম্পদের হস্তান্তর হইতে উদ্ভূত আয় যেই আয়বর্ষে হস্তান্তর সংঘটিত হইয়াছে, সেই আয়বর্ষেই উহা অন্তর্ভুক্ত হইবে।
(ধারা ৬০ – ৬১)
উৎসে কর কর্তন প্রযোজ্য এমন কোনো ব্যয়ের ক্ষেত্রে, যদি উৎসে কর কর্তন বা সংগ্রহ করা না হয় এবং যথাযথভাবে পরিশোধ করা না হয়, তবে সেই ব্যয় এই অধ্যায়ের অধীন অনুমোদনযোগ্য বিয়োজন হিসাবে গণ্য হবে না।
করদাতা ঘোষিত বিক্রয় মূল্যের তুলনায় ১৫% বা তার বেশি হলে, পরিদর্শী অতিরিক্ত কর কমিশনারের অনুমোদনক্রমে উপকর কমিশনার পরিসম্পদের ন্যায্য বাজার মূল্য নির্ধারণ করতে পারেন।
ঘোষিত অর্জন মূল্যের তুলনায় ন্যায্য বাজার মূল্য ২৫% বা তার বেশি হলে, বোর্ড নির্ধারিত পদ্ধতিতে উপকর কমিশনার উক্ত পরিসম্পদ ঘোষিত অর্জন মূল্যে ক্রয় করার প্রস্তাব দিতে পারেন।
কোম্পানি আইন, ১৯৯৪ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত নতুন কোনো কোম্পানিতে অংশীদারি ফার্মের সব পরিসম্পদ হস্তান্তরের ফলে উদ্ভূত মূলধনি আয় করমুক্ত থাকবে, যদি বিনিময় মূল্য নতুন কোম্পানি ইক্যুইটিতে বিনিয়োগ করা হয়।
(ধারা ৬২)
আর্থিক পরিসম্পদ হস্তান্তর হইতে অর্জিত মূলধনি আয় “আর্থিক পরিসম্পদ হইতে আয়” শ্রেণিভুক্ত হবে না।
(ধারা ৬৩ – ৬৪)
যে আয়বর্ষে করদাতা আর্থিক পরিসম্পদ থেকে আয় লাভ করেন অথবা যে আয়বর্ষে সেই আয় তার হিসাবে জমা হয়— যেটি আগে ঘটে, সেই আয়বর্ষে উক্ত আয় অন্তর্ভুক্ত হবে।
(ধারা ৬৫ – ৬৬)
বিশেষ ক্ষেত্র (অজানা ক্রেডিট, তহবিল, বাজার মূল্য
(ধারা ৬৭: দফা ২–৪)
করদাতার হিসাব বা দলিলে কোনো অজানা অঙ্ক জমা থাকিলে এবং তিনি সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হলে, সেই অঙ্ক “অন্যান্য উৎস হইতে আয়” হিসাবে গণ্য হবে।
করদাতা যদি সম্পদ অর্জন, ঋণ গ্রহণ বা ব্যয় করেন এবং (ক+খ+গ) > (ঘ+ঙ+চ) হয়, তাহলে পার্থক্য অংশ “অন্যান্য উৎস” আয় হবে।
ব্যবসার মজুদ বা আর্থিক সম্পদ ছাড়া কোনো পরিসম্পদ ন্যায্য বাজার মূল্যের চেয়ে কম দামে ক্রয় করলে পার্থক্য অংশ “অন্যান্য উৎস” আয় হবে।
(ধারা ৬৭: দফা ৫–৮)
চুক্তি বাতিল, রদ বা শর্ত পরিবর্তনের কারণে প্রাপ্ত ফি, কমিশন, ক্ষতিপূরণ বা সুনামমূল্য সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষে “অন্যান্য উৎস” আয় হবে।
লিজ/ভাড়ার মাধ্যমে সেলামী বা প্রিমিয়াম আকারে এককালীন অর্থ প্রাপ্ত হলে তা সেই আয়বর্ষে “অন্যান্য উৎস” আয় হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হবে।
পরিসম্পদ ক্রয়ের সময় উৎসে কর কর্তন বা সংগ্রহ না করলে, পরিশোধিত অর্থ উক্ত আয়বর্ষে “অন্যান্য উৎস” আয় হিসেবে ধরা হবে।
কোনো ঋণ মওকুফের ফলে প্রাপ্ত লাভ বা সুবিধা “অন্যান্য উৎস” আয় হিসাবে গণ্য হবে, তবে ব্যতিক্রম:
(ধারা ৬৭: দফা ৯–১৫)
লটারি, শব্দজট, কার্ড গেম, অনলাইন গেম বা অনুরূপ খেলায় জয় লাভের অর্থ “অন্যান্য উৎস” আয়।
(ধারা ৬৮ – ৬৯)
(ধারা ৭৬ : দফা ৫ – ৭)
অংশ ৬ : অব্যাহতি, বাদ ও কর অবকাশ — প্রথম অধ্যায় : অব্যাহতি, হ্রাস ও বাদ
ধারা ১৬৬ ও ১৭১ অনুযায়ী রিটার্ন দাখিলে ব্যর্থ হলে কর অব্যাহতি প্রযোজ্য হবে না। তবে ষষ্ঠ তফসিল অংশ ১ এর নির্দিষ্ট দফা ও চাকরি-সংক্রান্ত কর অব্যাহতির ক্ষেত্রে এই বিধান প্রযোজ্য নয়।
নির্দিষ্ট মেয়াদে কর অব্যাহতি পাওয়া ব্যক্তি পুনরায় অথবা অন্যভাবে একই উৎসে অব্যাহতি পাবেন না। একীভূতকরণ, ডিমার্জার বা অধিগ্রহণের ক্ষেত্রেও অব্যাহতি পুনরুদ্ধার হবে না; তবে মেয়াদ বৃদ্ধি হলে প্রযোজ্য নয়।
অব্যাহতি-প্রাপ্ত উৎসের আয় গণনায়, ধারা ৫৫ অনুসারে অননুমোদিত ব্যয়ের উপর ধারা ৫৬ অনুসারে কর প্রযোজ্য হবে।
অব্যাহতি, বাদ ও কর অবকাশ
(ধারা ৭৭)
অংশ ৬ : অব্যাহতি, বাদ ও কর অবকাশ — প্রথম অধ্যায় : অব্যাহতি, হ্রাস ও বাদ
এই অংশে উল্লিখিত ব্যক্তির আয় মোট আয়ের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হবে না, তবে তহবিলের উৎস নিরূপণে অন্তর্ভুক্ত হবে।
শর্ত:
ষষ্ঠ তফসিল অংশ ২ অনুসারে প্রদত্ত অনুদান করদায় থেকে বাদ দেওয়া হবে, যদি:
রেয়াতের সূত্র ও ব্যাখ্যা
(ধারা ৭৮)
অংশ ৬ : অব্যাহতি, বাদ ও কর অবকাশ — প্রথম অধ্যায় : অব্যাহতি, হ্রাস ও বাদ
নিবাসী স্বাভাবিক ব্যক্তি ও অনিবাসী বাংলাদেশি স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতা, যদি ষষ্ঠ তফসিল অংশ ৩-এ নির্ধারিত সীমা ও শর্ত পূরণ করেন, তবে নিম্নের যেকোনো একটির মধ্যে সর্বনিম্ন অঙ্কের কর রেয়াত পাবেন:
‘ক’ = কর অব্যাহতি প্রাপ্ত আয়, হ্রাসকৃত করহার প্রযোজ্য আয়, অংশীদারি ফার্ম/ব্যক্তিসংঘ থেকে প্রাপ্ত শেয়ার আয় ও চূড়ান্ত করদায় প্রযোজ্য আয় বাদ দিয়ে পরিগণিত মোট আয়।
‘খ’ = আয়বর্ষে ষষ্ঠ তফসিল অংশ ৩ অনুসারে করদাতার মোট বিনিয়োগ ও ব্যয়ের পরিমাণ।
অগ্রিম আয়কর পরিশোধ
(ধারা ১৫৩, উপ-ধারা ১)
প্রত্যেক মোটরযানের মালিকের জন্য ধরে নেওয়া হবে যে, তিনি উক্ত মোটরযান রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় আয় অর্জন করেন এবং নির্ধারিত হারে ও পদ্ধতিতে অগ্রিম আয়কর পরিশোধ করবেন।
(সারণী)
মোটরযানের নিবন্ধন বা ফিটনেস নবায়নের সময় নিচের সারণি অনুযায়ী অগ্রিম কর প্রদান করতে হবে।
| ক্রমিক | গাড়ির ধরন ও ইঞ্জিন ক্যাপাসিটি | অগ্রিম কর (টাকা) |
|---|---|---|
| ১। | ১৫০০ সিসি বা ৭৫ কিলোওয়াট পর্যন্ত | ২৫,০০০ |
| ২। | ১৫০০–২০০০ সিসি বা ৭৫–১০০ কিলোওয়াট পর্যন্ত | ৫০,০০০ |
| ৩। | ২০০০–২৫০০ সিসি বা ১০০–১২৫ কিলোওয়াট পর্যন্ত | ৭৫,০০০ |
| ৪। | ২৫০০–৩০০০ সিসি বা ১২৫–১৫০ কিলোওয়াট পর্যন্ত | ১,২৫,০০০ |
| ৫। | ৩০০০–৩৫০০ সিসি বা ১৫০–১৭৫ কিলোওয়াট পর্যন্ত | ১,৫০,০০০ |
| ৬। | ৩৫০০ সিসির উপরে | ২,০০,০০০ |
| ৭। | মাইক্রোবাস (প্রতি ইউনিট) | ৩০,০০০ |
শর্ত: কোনো স্বাভাবিক ব্যক্তি একাধিক গাড়ির মালিক হলে, দ্বিতীয় ও পরবর্তী প্রতিটি গাড়ির জন্য ৫০% বেশি হারে কর দিতে হবে।
অগ্রিম করের পরিমাণ ও কিস্তি
(ধারা ১৫৫)
সর্বশেষ আয়বর্ষে নির্ধারিত করদায় (ক) থেকে উৎসে কাটা বা পূর্বে পরিশোধিত অগ্রিম কর (খ) বাদ দিলে যে পরিমাণ থাকে, সেটাই ন্যূনতম অগ্রিম কর।
| তারিখ | পরিশোধের হার |
|---|---|
| ১৫ সেপ্টেম্বর | ২৫% |
| ১৫ ডিসেম্বর | ২৫% |
| ১৫ মার্চ | ২৫% |
| ১৫ জুন | ২৫% |
নোট: যদি নির্ধারিত তারিখ সরকারি ছুটি হয়, তবে পরবর্তী কর্মদিবসে কিস্তি প্রদান করা যাবে।
কোনো কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হলে বকেয়া অর্থ পরবর্তী কিস্তির সাথে যোগ হবে। করদাতা যদি প্রাক্কলন করেন যে নির্ধারিত করদায় অপেক্ষা করের পরিমাণ কম হবে, তিনি উপকর কমিশনারকে লিখিত প্রাক্কলন দাখিল করে কিস্তি সমন্বয় করতে পারেন।
(ধারা ১৫৬-১৫৯)
যেসব ব্যক্তি আগের করবর্ষে কর নির্ধারণের আওতায় ছিলেন না, এবং চলমান আয়বর্ষে মোট আয় ৬ লক্ষ টাকার বেশি হবে বলে অনুমান, তারা ১৫ জুনের আগে প্রাক্কলিত মোট আয় ও পরিশোধযোগ্য অগ্রিম কর উপকর কমিশনারের কাছে দাখিল করবেন এবং ধারা ১৫৫ অনুযায়ী কিস্তিতে পরিশোধ করবেন।
নির্ধারিত তারিখে অগ্রিম করের কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হলে করদাতা খেলাপি হিসেবে গণ্য হবেন এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে জরিমানা আরোপ করা যেতে পারে।
জরিমানা বা সুদ ব্যতীত অগ্রিম কর হিসাবে পরিশোধিত অর্থ সেই সময়ের জন্য অর্জিত আয়ের উপর পরিশোধিত কর হিসেবে গণ্য হবে এবং নির্ধারিত করদায় থেকে বাদ দেওয়া হবে।
“সর্বশেষ আয়বর্ষ নির্ধারিত” অর্থ:
ন্যূনতম কর প্রযোজ্য আয়ের উৎস
(ধারা ৮৮–১০১)
নিচে প্রথমাংশে ন্যূনতম কর প্রযোজ্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ আয়ের উৎস ও সংশ্লিষ্ট কর ধারাসমূহ দেওয়া হলো।
| ধারা | আয়ের উৎস | ধারা | আয়ের উৎস |
|---|---|---|---|
| ৮৮ | অংশগ্রহণ, কল্যাণ ও শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে প্রদত্ত অর্থ | ৮৯ | ঠিকাদার ও সরবরাহকারীর অর্থ হতে কর কর্তন |
| ৯০ | সেবার ক্ষেত্রে পরিশোধ হতে কর কর্তন | ৯১ | স্পর্শাতীত সম্পত্তির অর্থ হতে কর কর্তন |
| ৯২ | প্রচার মাধ্যমের বিজ্ঞাপন আয় | ৯৪ | কমিশন, ডিসকাউন্ট, ফি ইত্যাদি হইতে কর কর্তন |
| ৯৫ | ট্রাভেল এজেন্টদের অর্থ হতে কর সংগ্রহ | ১০০ | বীমা কমিশনের অর্থ হতে কর কর্তন |
| ১০১ | সাধারণ বীমা কোম্পানির জরিপকারীদের ফি ইত্যাদি | ১০২ | সঞ্চয়ী ও স্থায়ী আমানতের সুদ |
(ধারা ১০৬–১২৩)
দ্বিতীয়াংশে আরও কিছু আয় উৎস ও সংশ্লিষ্ট কর ধারাসমূহ দেওয়া হলো, যেগুলোতে ন্যূনতম কর প্রযোজ্য।
| ধারা | আয়ের উৎস | ধারা | আয়ের উৎস |
|---|---|---|---|
| ১০৬ | কর্তন সিকিউরিটিজের সুদ | ১০৮ | আন্তর্জাতিক ফোন কলের আয় |
| ১১০ | কনভেনশন হল বা কনফারেন্স সেন্টারের সেবা আয় | ১১২ | নগদ রপ্তানি ভর্তুকির উপর কর কর্তন |
| ১১৩ | পরিবহন মাশুল ও ফরওয়ার্ড এজেন্সি কমিশন | ১১৪ | বিদ্যুৎ ক্রয়ের বিপরীতে কর কর্তন |
| ১১৫ | রিয়েল এস্টেট ডেভেলপারদের ভূমি মালিক থেকে প্রাপ্ত আয় | ১১৬ | বিদেশী ক্রেতার এজেন্টকে কমিশন/পারিশ্রমিক |
| ১১৭ | লভ্যাংশ হইতে কর কর্তন | ১২৩ | রপ্তানি আয় হইতে কর সংগ্রহ |
(ধারা ১২৪–১৩৯)
শেষাংশে (তৃতীয় অংশ) অবশিষ্ট কর ধারাসমূহ এবং তাদের আয়ের উৎস নিচে প্রদান করা হলো।
| ধারা | আয়ের উৎস | ধারা | আয়ের উৎস |
|---|---|---|---|
| ১২৪ | বিদেশ হইতে প্রেরিত সেবা/রেভিনিউ শেয়ারিং আয় | ১২৬ | রিয়েল এস্টেট/ভূমি উন্নয়নকারীদের নিকট হইতে কর সংগ্রহ |
| ১২৭ | সরকারি স্ট্যাম্প ও কোর্ট ফি বাবদ কমিশন | ১২৮ | সম্পত্তির ইজারা হইতে কর সংগ্রহ |
| ১২৯ | সিগারেট উৎপাদনকারীদের নিকট হইতে কর সংগ্রহ | ১৩২ | নিবাসী জাহাজ ব্যবসা হইতে কর সংগ্রহ |
| ১৩৩ | প্রকাশ্য নিলামের বিক্রয় হইতে কর সংগ্রহ | ১৩৪ | শেয়ার হস্তান্তর হইতে কর সংগ্রহ |
| ১৩৫ | সিকিউরিটিজ হস্তান্তর হইতে কর সংগ্রহ | ১৩৬ | স্টক এক্সচেঞ্জ শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ার স্থানান্তর |
| ১৩৭ | স্টক এক্সচেঞ্জ সদস্যদের নিকট হইতে কর সংগ্রহ | ১৩৮ | বাণিজ্যিক মোটরযান হইতে কর সংগ্রহ |
| ১৩৯ | নৌযান পরিচালনা হইতে কর সংগ্রহ |
চূড়ান্ত কর প্রযোজ্য আয়ের উৎস
(Final Tax Applicable Sources)
নিম্নে এমন কিছু আয়ের উৎস উল্লেখ করা হলো, যেগুলোর ক্ষেত্রে উৎসে কর্তিত করই চূড়ান্ত কর হিসেবে গণ্য হয়।
| ধারা | আয়ের উৎস |
|---|---|
| ১০৫ | সঞ্চয় পত্রের মুনাফা হইতে কর কর্তন |
| ১১১ | সম্পত্তি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ হইতে উৎসে কর কর্তন |
| ১১২ | নগদ রপ্তানি ভর্তুকির উপর উৎসে কর কর্তন |
| ১২৫ | সম্পত্তি হস্তান্তর, ইত্যাদি হইতে কর সংগ্রহ |
ষষ্ঠ তফসিল
অংশ ১: মোট আয় পরিগণনা হইতে বাদ
আইন বা চুক্তির অধীন আয়কর অব্যাহতিপ্রাপ্ত আন্ত-সরকারি বা আন্তর্জাতিক সংস্থা ও তাদের কর্মচারীদের আয় করমুক্ত।
বৈদেশিক রাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত, হাই কমিশনার ও তাঁদের অ-বাংলাদেশি স্টাফের বেতন নির্দিষ্ট শর্তে করমুক্ত।
সরকার বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত অনুদান এবং সব ধরনের কর, খাজনা ও শুল্ক আয় থেকে বাদ যাবে।
সরকারি পেনশন তহবিল থেকে প্রাপ্ত পেনশন ও বকেয়া পেনশন করমুক্ত।
সরকারি আনুতোষিক তহবিল থেকে সর্বোচ্চ ২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত প্রাপ্ত অর্থ করমুক্ত।
স্বীকৃত ভবিষ্য, বার্ধক্য বা পেনশন তহবিলে চাঁদা এবং কররোপিত আয় থেকে বিতরণকৃত অংশ নির্দিষ্ট সীমায় করমুক্ত।
এই আইনের অধীন ভবিষ্য তহবিলে উপচিত বা তহবিল থেকে উদ্ভূত আয় করমুক্ত।
অংশ ১: মোট আয় পরিগণনা হইতে বাদ
সরকার অনুমোদিত প্ল্যান অনুসারে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণের সময় প্রাপ্ত অর্থ করমুক্ত।
এই সার্টিফিকেটের সুদ করমুক্ত, যদি মোট বিনিয়োগ ৫ লক্ষ টাকার বেশি না হয়।
মিউচুয়াল ফান্ড, বিকল্প বিনিয়োগ তহবিল, REIT, ETF ইত্যাদি সত্তার আয় করমুক্ত।
দাতব্য বা ধর্মীয় উদ্দেশ্যে ধারণকৃত সম্পত্তি থেকে আয়, যদি বাংলাদেশে ব্যবহৃত হয় বা অনুমোদিতভাবে পুঞ্জীভূত হয়।
অনুমোদিত দাতব্য প্রতিষ্ঠানে দান ও মাইক্রোক্রেডিট কার্যক্রমের নির্দিষ্ট সার্ভিস চার্জ করমুক্ত।
কর্মচারীর দায়িত্বপালনের ব্যয় পুনর্ভরণ, ট্রাস্টের করপরিশোধিত আয়ের অংশ এবং হিন্দু অবিভক্ত পরিবারের করপরিশোধিত বণ্টন আয় করমুক্ত।
অংশ ১ — মোট আয় পরিগণনা হইতে বাদ (আইটেম ১৭–২০ক)
বাংলাদেশি স্বাভাবিক ব্যক্তি কর্তৃক বিদেশে উপার্জিত ও বৈদেশিক রেমিটেন্স আইনে দেশে আনীত আয় করমুক্ত।
ওয়েজ আর্নারস ডেভলপমেন্ট ফান্ড, ইউএস/ইউরো/পাউন্ড প্রিমিয়াম বা ইনভেস্টমেন্ট বন্ড হইতে গৃহীত আয় করমুক্ত।
রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি জেলার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড হইতে প্রাপ্ত আয় করমুক্ত।
স্বাভাবিক ব্যক্তির “কৃষি হইতে আয়” খাতে ৫ লক্ষ টাকার মধ্যে আয় করমুক্ত, যদি অন্য কোনো আয়ের উৎস না থাকে।
হাঁস-মুরগি, চিংড়ি ও মাছের হ্যাচারী, পেলেটেড ফিড, দুগ্ধ, বীজ, রেশম, ব্যাঙ ইত্যাদি খামার আয় ≤ ৫ লক্ষ টাকা করমুক্ত।
অংশ ১ — মোট আয় পরিগণনা হইতে বাদ (আইটেম ২৩–২৯)
পেট্রোলিয়াম অনুসন্ধান কোম্পানির পক্ষে সরকারের পরিশোধিত কর করমুক্ত।
বাংলাদেশ ব্যাংক বা বিএসইসি অনুমোদিত জিরো কুপন বন্ড হইতে ব্যক্তিগত আয় করমুক্ত।
অংশ ১ — মোট আয় পরিগণনা হইতে বাদ (আইটেম ৩০–৩৬)
বাংলাদেশ সরকার বা বিদেশি সরকার, নোবেল, ম্যাগসেসে, বুকার, পুলিৎজার, একাডেমি, গ্রামি ইত্যাদি আন্তর্জাতিক পুরস্কার করমুক্ত।
বৃদ্ধাশ্রম পরিচালনা হইতে আয় ও করপরিশোধিত লভ্যাংশ করমুক্ত, যদি পৃথক হিসাব সংরক্ষিত হয়।
বাংলাদেশ পতাকাবাহী জাহাজ কর্তৃক বিদেশি আয় ও জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের আয় করমুক্ত।
স্বামী-স্ত্রী, ভাই-বোন, মাতা-পিতা বা সন্তানের দান করমুক্ত, যদি দাতা ও গ্রহীতার রিটার্নে প্রদর্শিত হয়।
শর্ত: বিদেশ হইতে ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রেরিত দানের ক্ষেত্রে দাতার রিটার্নে প্রদর্শনের শর্ত প্রযোজ্য নহে।
অনধিক ৫০ লক্ষ টাকার মূলধনি আয় করমুক্ত, যদি তা তালিকাভুক্ত কোম্পানি/তহবিলের শেয়ার বা ইউনিট হস্তান্তর হইতে অর্জিত হয় এবং স্পনসর বা ডিরেক্টর শেয়ার না হয়।
প্রযোজ্য বিনিয়োগ ও ব্যয়
এই অংশের বিধান নিবাসী স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতা এবং অনিবাসী বাংলাদেশি স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতা—উভয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
নিজের, স্বামী/স্ত্রী বা সন্তানের জন্য জীবন বিমা বা Deferred Annuity-এর প্রিমিয়াম (আয়ের ১০% পর্যন্ত) কর রেয়াতযোগ্য।
HUF কর্তৃক পরিবারের কোনো পুরুষ সদস্য বা স্ত্রীর জীবন বিমা প্রিমিয়াম প্রদান; তবে বিদেশে প্রিমিয়াম পরিশোধিত হলে রেয়াত প্রযোজ্য নয়।
সরকার কর্তৃক বেতন থেকে কর্তন করা বার্ষিক বৃত্তি বা স্ত্রী/সন্তানের নিরাপত্তা তহবিল—বেতনের ২০% পর্যন্ত রেয়াতযোগ্য।
Provident Fund Act, 1925 এর আওতাভুক্ত তহবিলে করদাতার প্রদত্ত চাঁদা কর রেয়াতযোগ্য।
দ্বিতীয় তফসিল অংশ ৩ অনুযায়ী সীমা সাপেক্ষে, ভবিষ্য তহবিলে করদাতা ও নিয়োগকর্তার প্রদত্ত চাঁদা কর রেয়াতযোগ্য।
অনুমোদিত বার্ধক্য তহবিলে বার্ষিক সাধারণ চাঁদা বাবদ প্রদেয় অর্থ কর রেয়াতযোগ্য।
বিনিয়োগ ও ব্যয় – আইটেম ৭–১৪
স্টক এক্সচেঞ্জে নতুন সিকিউরিটিজ বিনিয়োগ, বোর্ড অনুমোদিত দাতব্য হাসপাতাল ও প্রতিবন্ধী কল্যাণ সংগঠনে অনুদান কর রেয়াতযোগ্য।
যাকাত তহবিল, কল্যাণ তহবিল, জনকল্যাণ ও মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি প্রতিষ্ঠানকে প্রদত্ত দান কর রেয়াতযোগ্য।
(এস.আর.ও. নং-৪০৪-আইন/আয়কর-৫৭/২০২৪)
অর্থ মন্ত্রণালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (আয়কর)
তারিখ: ০৩ ডিসেম্বর ২০২৪ / ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
প্রজ্ঞাপন নং: S.R.O. 404–আইন/আয়কর–৫৭/২০২৪
আয়কর আইন, ২০২৩ এর ধারা ৩৪১ এর ক্ষমতাবলে ষষ্ঠ তফসিলের অংশ ২ এর দফা (১)-এর পর নতুন দফা (ঙ) সংযোজন করা হয়েছে:
“(ঙ) জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন-এ দানকৃত আয়;”
কর অব্যাহতিপ্রাপ্ত করদাতারা আইনটির ধারা ৭৬(৫) ও ৭৬(৬)-এর বিধানাবলি যথাযথভাবে পালন করবেন।
প্রজ্ঞাপনটি অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং ৩০ জুন ২০২৯ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আদেশক্রমে,
মোঃ আবদুর রহমান খান, এফসিএমএ
সচিব, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ও চেয়ারম্যান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, ঢাকা।
(এস.আর.ও. নং ১৫০–আইন/আয়কর–০৫/২০২৫)
অর্থ মন্ত্রণালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (আয়কর)
তারিখ: ২৬ মে ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ / ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রজ্ঞাপন নং: S.R.O. 150–আইন/আয়কর–০৫/২০২৫
আইন ও ক্ষমতা: আয়কর আইন, ২০২৩ এর ধারা ৭৬(১) অনুসারে ষষ্ঠ তফসিলের অংশ ৩, অনুচ্ছেদ ২, দফা (১৩)-এর আওতায় ঘোষণা।
নিম্নবর্ণিত প্রতিষ্ঠানসমূহে স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতা কর্তৃক প্রদত্ত দান বা অনুদান আয়কর রেয়াতের আওতায় আসবে —
এই প্রজ্ঞাপন অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং ৩০ জুন ২০৩০ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আদেশক্রমে,
মোঃ আবদুর রহমান খান, এফসিএমএ
সচিব, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয় ও চেয়ারম্যান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, ঢাকা।
মূলধনি আয়, লভ্যাংশ ও লটারি আয়
বিশেষ করহার
লটারি, শব্দজট, অনলাইন গেম, কার্ড গেম বা অনুরূপ প্রতিযোগিতা হতে অর্জিত অর্থের উপর ২৫% কর ধার্য হবে।
অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল
অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR), রাজস্ব ভবন — www.nbr.gov.bd
পত্র নম্বর: ০৮.০১.০০০০.০৩০.৯৯.০০১.২৪/৯১
তারিখ: ২৭ শ্রাবণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ / ১১ আগস্ট, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ
বিশেষ আদেশ নং: ০১/২০২৫
বিষয়: ব্যক্তি করদাতাগণের অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল সংক্রান্ত বিশেষ আদেশ
আয়কর আইন, ২০২৩ এর ধারা ৩২৮(৪) অনুযায়ী, ৪ আগস্ট ২০২৫ থেকে ২০২৫-২০২৬ করবর্ষের জন্য সকল স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার জন্য অনলাইনে (www.etaxnbr.gov.bd) রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক, নিম্নলিখিত শ্রেণির করদাতা ব্যতীত:
উপরোক্ত শ্রেণির করদাতাগণ ইচ্ছা করলে স্বেচ্ছায় অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।
যদি কোনো করদাতা প্রযুক্তিগত বা নিবন্ধন-সংক্রান্ত সমস্যার কারণে ই-রিটার্ন দাখিল করতে না পারেন, তবে ৩১ অক্টোবর ২০২৫ এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট উপকর কমিশনারের কাছে লিখিত আবেদন করতে হবে। অতিরিক্ত/যুগ্ম কর কমিশনারের অনুমোদনক্রমে তিনি পেপার রিটার্ন দাখিলের সুযোগ পাবেন।
চেয়ারম্যান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
মোঃ আবদুর রহমান খান, এফসিএমএ
সংজ্ঞা ও ফরম
আয়কর কর্তৃপক্ষের নিকট একজন করদাতার বার্ষিক আয়, ব্যয় ও সম্পদের তথ্য নির্ধারিত ফরমে উপস্থাপনের মাধ্যমকে রিটার্ন বলা হয়। স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার রিটার্নে বাংলাদেশের ভিতরে ও বাইরে অবস্থিত সকল আয়, সম্পদ, দায় এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত ব্যয়ের বিবরণী অন্তর্ভুক্ত থাকে।
সব আয়কর অফিসে সারা বছর বিনামূল্যে রিটার্ন ফরম পাওয়া যায়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ওয়েবসাইটে থেকেও পাওয়া যাবে: www.nbr.gov.bd। ফটোকপি ফরমও গ্রহণযোগ্য।
করযোগ্য সীমা ও বাধ্যতামূলক রিটার্ন
সময়, পদ্ধতি ও ফলাফল
স্বাভাবিক ব্যক্তি: আয়বর্ষ শেষে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে। অন্যান্য করদাতা: আয়বর্ষ শেষে নবম মাসের ১৫তম দিন পর্যন্ত।
কর কমিশনার অনিবার্য কারণে ৯০ দিন পর্যন্ত সময় বৃদ্ধি করতে পারেন, যদি আবেদন সময়মতো করা হয়।
স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বা পরে ৩০ জুন পর্যন্ত রিটার্ন দাখিল করা যায়; নির্দিষ্ট সময় পেরোলে সাধারণ পদ্ধতিতে দাখিল করতে হবে।
টিআইএন সার্কেল অনুযায়ী আয়কর অফিসে, বিদেশে থাকলে দূতাবাসে বা অনলাইনে etaxnbr.gov.bd এর মাধ্যমে।
জরিমানা (ধারা ২৬৬), অতিরিক্ত কর (ধারা ১৭৪), ইউটিলিটি সংযোগ বিচ্ছিন্নতা, ও বেতনভাতা গ্রহণে জটিলতা হতে পারে।
সাধারণ জিজ্ঞাসা ও উত্তর
দ্রুত খুঁজতে প্রতিটি প্রশ্নে ক্লিক/ট্যাপ করুন। নিচের তালিকা অ্যাকর্ডিয়ন—একসাথে একটি/একাধিক খুলে রাখতে পারবেন।
i) Assessment: Assessment info, Heads of income, Additional info, IT-10B।
ii) Income: খাতভিত্তিক আয় ইনপুট।
iii) Rebate: রেয়াতযোগ্য বিনিয়োগ।
iv) Expenditure: বাৎসরিক ব্যয়।
v) Asset & Liabilities: সম্পদ-দায় বিস্তারিত।
vi) Tax & Payment: কম্পিউটেশন, কর আপডেট/পরিশোধ (বিকাশ/রকেট/নগদ, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, কার্ড)।
vii) Return view: পূর্ণ রিটার্ন রিভিউ, সেভ/সাবমিট; পরবর্তী সময়ে Ack slip/Certificate/রিটার্ন ডাউনলোড।
উত্তরঃ ঘরে বসে দাখিল, TIN/রিটার্ন/ট্যাক্স সার্টিফিকেট/চালান ডাউনলোড-প্রিন্ট, পূর্ববর্তী রিটার্নের রেকর্ড ইত্যাদি।
নোট: অনলাইন দাখিলে অসমর্থ হলে ৩১ অক্টোবর ২০২৫-এর মধ্যে যৌক্তিক কারণসহ আবেদন করে অনুমোদনক্রমে পেপার রিটার্ন দাখিল করা যাবে।
দ্রুত নেভিগেশনের জন্য ব্রাউজারের Ctrl/⌘ + F ব্যবহার করুন।